AI Skills Africa leads AI Skills Fest 2026 at Google AI Centre, empowering Ghana’s workforce for the future - MyJoyOnline

ঘানার ভবিষ্যৎ গড়ছে AI: Google AI Centre-এ AI Skills Fest 2026AI Skills Africa-এর নেতৃত্বে Google AI Center-এ AI Skills Fest 2026 ঘানার কর্মীবাহিনীকে AI প্রযুক্তিতে ক্ষমতায়ন করছে। জানুন কিভাবে এটি ঘানার ভবিষ্যতকে রূপ দিচ্ছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কেবল একটি প্রযুক্তিগত buzzword নয়, এটি মানবজাতির ভবিষ্যৎ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি থেকে শিল্প – প্রতিটি ক্ষেত্রেই AI তার অপরিহার্যতা প্রমাণ করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো, বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলো এই ডিজিটাল বিপ্লবের সুবিধা নিতে ব্যাকুল। এই প্রেক্ষাপটে, ঘানার কর্মীবাহিনীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে এবং AI দক্ষতার মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়ন করতে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। AI Skills Africa-এর নেতৃত্বে এবং Google AI Centre-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত 'AI Skills Fest 2026' কেবল একটি উৎসব নয়, এটি ঘানার ভবিষ্যৎকে নতুন করে গড়ে তোলার একটি অঙ্গীকার। এই ব্লগ পোস্টে আমরা আলোচনা করব এই উৎসবের গুরুত্ব, এর লক্ষ...

Haidian Releases OPC Policy: Empowering Super Individuals via Institutions, Shaping AI Future with Ecosystems - 36 Kr

## হাইডিয়ান-এর যুগান্তকারী OPC নীতি: প্রতিভাধরদের ক্ষমতায়ন ও AI ভবিষ্যতের নকশা**মেটা বর্ণনা:** হাইডিয়ান-এর নতুন OPC নীতি কীভাবে প্রতিষ্ঠান ও ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে অসাধারণ প্রতিভাদের ক্ষমতায়ন করে এবং AI-এর ভবিষ্যৎ গঠন করছে, তা জানুন। চীনের এই উদ্যোগ বৈশ্বিক প্রযুক্তি মানচিত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।### ভূমিকা: হাইডিয়ান - উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্রচীন, বিশ্বের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই উদ্ভাবনের অগ্রভাগে রয়েছে হাইডিয়ান জেলা, যা চীনের 'সিলিকন ভ্যালি' নামেও পরিচিত। বেইজিংয়ের এই অঞ্চলটি অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ প্রযুক্তির কোম্পানিগুলির আবাসস্থল। এখানকার সরকার এবং নীতি-নির্ধারকরা সর্বদা উদ্ভাবন ও প্রতিভার বিকাশে সচেষ্ট। সম্প্রতি, হাইডিয়ান সরকার একটি যুগান্তকারী OPC নীতি (Open and Collaborative Policy) প্রকাশ করেছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর ভবিষ্যৎ গঠনে এবং 'সুপার ইন্ডিভিজুয়ালস' বা অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে। এই নীতি কেবল হাইডিয়ান নয়, বরং সমগ্র বিশ্বব্যাপী AI ইকোসিস্টেমের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে।### OPC নীতি কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?OPC নীতি, যার পূর্ণরূপ হিসেবে 'Open and Collaborative Policy' বা 'উন্মুক্ত ও সহযোগিতামূলক নীতি' ব্যাখ্যা করা যায়, হলো হাইডিয়ান সরকারের একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলি দূর করা, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা যেখানে প্রতিভাবান ব্যক্তিরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেন।এই নীতির গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বে AI প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, যে দেশ বা অঞ্চল AI উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেবে, তারাই ভবিষ্যতের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হবে। হাইডিয়ান-এর OPC নীতি AI গবেষণাকে ত্বরান্বিত করতে, নতুন স্টার্টআপগুলিকে উৎসাহিত করতে এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ গড়ে তুলতে একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রদান করে। এটি শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রেই নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে হাইডিয়ান-এর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।### প্রতিভাধর ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন: উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তিহাইডিয়ান-এর OPC নীতির কেন্দ্রে রয়েছে 'সুপার ইন্ডিভিজুয়ালস' বা অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন। এরা হলেন সেইসব গবেষক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবক, যারা নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করেন এবং AI-এর মতো জটিল ক্ষেত্রে সমাধান তৈরি করেন। এই প্রতিভাধরদের সমর্থন না করলে কোনো প্রযুক্তিগত বিপ্লব সম্ভব নয়।OPC নীতি কীভাবে এই প্রতিভাধরদের সহায়তা করে? এটি বিভিন্ন উপায়ে কাজ করে:* **অর্থায়ন ও সংস্থান:** নীতিটি উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং স্টার্টআপগুলির জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করে। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা অনুদান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং ইনকিউবেটর প্রোগ্রাম। এছাড়াও, অত্যাধুনিক ল্যাব, কম্পিউটিং ক্ষমতা এবং ডেটা অ্যাক্সেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থানগুলির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা হয়।* **মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণ:** অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ এবং শিল্প নেতাদের কাছ থেকে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম এবং উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা হয়। এটি নতুন প্রতিভাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাদের উদ্ভাবনী যাত্রাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে।* **মেধা সম্পত্তি (IP) সুরক্ষা:** উদ্ভাবকদের তাদের মেধা সম্পত্তির সুরক্ষায় সহায়তা করা হয়, যা তাদের গবেষণা ও আবিষ্কারের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করে।* **নেটওয়ার্কিং ও সহযোগিতা:** নীতিটি বিভিন্ন খাতের পেশাদারদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং সহযোগিতার জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এটি কেবল জ্ঞান বিনিময়ে সাহায্য করে না, বরং নতুন অংশীদারিত্ব এবং যৌথ উদ্যোগের সুযোগও তৈরি করে।প্রতিভাধর ব্যক্তিদের এই ধরনের ব্যাপক সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে হাইডিয়ান আশা করে যে তারা উদ্ভাবনের নতুন শিখরে পৌঁছাবে এবং AI-এর অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।### প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা: উদ্ভাবনের সেতু বন্ধনOPC নীতির সাফল্যের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিষ্ঠানগুলি প্রতিভাধর ব্যক্তিদের জন্য সহায়তা ব্যবস্থা তৈরি করে এবং একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলে।* **বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্র:** হাইডিয়ানে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলি মৌলিক গবেষণা পরিচালনা করে, নতুন প্রতিভাদের শিক্ষিত করে তোলে এবং শিল্প ও সরকারের সাথে গবেষণা সহযোগিতায় জড়িত থাকে। OPC নীতি এই প্রতিষ্ঠানগুলির গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে এবং শিল্প-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার করতে সাহায্য করে।* **ইনকিউবেটর ও এক্সিলারেটর:** স্টার্টআপগুলিকে প্রাথমিক পর্যায়ে সহায়তা করার জন্য ইনকিউবেটর এবং এক্সিলারেটর প্রোগ্রামগুলি গুরুত্বপূর্ণ। এগুলি তহবিল, মেন্টরশিপ, কর্মক্ষেত্র এবং নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ প্রদান করে। OPC নীতি এই প্রোগ্রামগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে, যাতে নতুন AI-ভিত্তিক স্টার্টআপগুলি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।* **সরকারী সংস্থা:** স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকারী সংস্থাগুলি নীতি প্রণয়ন, অর্থায়ন এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। হাইডিয়ান সরকার এই নীতি কার্যকর করতে এবং এর দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।* **কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান:** বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলি উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলিতে বিনিয়োগ করে, গবেষণা সহযোগিতা করে এবং নতুন প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে। OPC নীতি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই ইকোসিস্টেমের অংশ হতে উৎসাহিত করে।এই প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, হাইডিয়ান একটি শক্তিশালী এবং গতিশীল ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাইছে, যা AI উদ্ভাবনের জন্য অপরিহার্য।### AI-এর ভবিষ্যৎ গঠন: হাইডিয়ান-এর ভিশনকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কেবল একটি প্রযুক্তিগত প্রবণতা নয়, এটি একটি বিপ্লবী শক্তি যা আগামী দশকগুলিতে বিশ্বকে পুনর্গঠন করবে। হাইডিয়ান-এর OPC নীতি AI-এর ভবিষ্যৎ গঠনে একটি সুনির্দিষ্ট ভিশন নিয়ে কাজ করছে।এই নীতির মাধ্যমে হাইডিয়ান লক্ষ্য করছে:* **AI গবেষণায় নেতৃত্ব:** মৌলিক এবং প্রায়োগিক AI গবেষণায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, কম্পিউটার ভিশন এবং রোবোটিক্সের মতো ক্ষেত্রগুলি।* **নতুন AI অ্যাপ্লিকেশন তৈরি:** স্বাস্থ্যসেবা, ফিনান্স, পরিবহন, শিক্ষা এবং উত্পাদনের মতো বিভিন্ন শিল্পে AI-এর নতুন অ্যাপ্লিকেশন এবং সমাধান তৈরি করা।* **নৈতিক AI উন্নয়ন:** AI প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল উন্নয়নে জোর দেওয়া, যাতে এর সামাজিক প্রভাব ইতিবাচক হয়।* **প্রতিভা আকর্ষণ:** বিশ্বজুড়ে সেরা AI প্রতিভাদের হাইডিয়ানে আকৃষ্ট করা এবং তাদের জন্য একটি অনুকূল কর্মপরিবেশ তৈরি করা।এই ভিশন অর্জনে OPC নীতি একটি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে, যা হাইডিয়ানকে বিশ্বব্যাপী AI উদ্ভাবনের কেন্দ্রে পরিণত করবে।### ইকোসিস্টেম তৈরি: সহযোগিতার শক্তিএকটি শক্তিশালী এবং গতিশীল ইকোসিস্টেম ছাড়া কোনো বড় আকারের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন সম্ভব নয়। হাইডিয়ান-এর OPC নীতি একটি গভীর এবং বিস্তৃত ইকোসিস্টেম তৈরির উপর জোর দেয়। এই ইকোসিস্টেমের প্রধান স্তম্ভগুলি হলো:* **একাডেমিয়া-শিল্প সহযোগিতা:** বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা। এর মাধ্যমে একাডেমিক গবেষণা বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তরিত হয় এবং শিল্পের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালিত হয়।* **সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্ব:** সরকার নীতিগত সমর্থন, অর্থায়ন এবং অবকাঠামো প্রদান করে, যখন বেসরকারী খাত উদ্ভাবন এবং বাণিজ্যিকীকরণে নেতৃত্ব দেয়।* **স্টার্টআপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল:** স্টার্টআপগুলি নতুন ধারণা নিয়ে আসে এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মগুলি তাদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করে। OPC নীতি এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তোলে।* **আন্তর্জাতিক সহযোগিতা:** অন্যান্য দেশ এবং অঞ্চলের সাথে গবেষণা ও উন্নয়নে সহযোগিতা করা, যাতে বিশ্বব্যাপী জ্ঞান ও প্রতিভার সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হয়।একটি সুসংহত ইকোসিস্টেম জ্ঞান বিনিময়কে ত্বরান্বিত করে, ঝুঁকি কমায় এবং দ্রুত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে। এটি প্রতিভাবান ব্যক্তিদের জন্য একটি জীবন্ত ল্যাবরেটরি তৈরি করে, যেখানে তারা তাদের ধারণাগুলি পরীক্ষা করতে এবং বাস্তবায়ন করতে পারে।### নীতিমালার প্রভাব ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতাহাইডিয়ান-এর OPC নীতি শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবেও গভীর প্রভাব ফেলবে। এই নীতি হাইডিয়ানকে অন্যান্য প্রধান প্রযুক্তি কেন্দ্র, যেমন সিলিকন ভ্যালি, সিঙ্গাপুর বা তেল আভিভের সাথে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে।এর সম্ভাব্য প্রভাবগুলি হলো:* **বিনিয়োগ আকর্ষণ:** উন্নত নীতিগত কাঠামো এবং প্রতিভাবান পরিবেশ দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাইডিয়ানে আকৃষ্ট করবে।* **কর্মসংস্থান সৃষ্টি:** নতুন স্টার্টআপ এবং AI কোম্পানিগুলির বৃদ্ধির ফলে উচ্চ-দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।* **অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:** AI-ভিত্তিক শিল্পগুলির বৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।* **জ্ঞান রপ্তানি:** হাইডিয়ান থেকে উদ্ভাবিত AI প্রযুক্তি এবং সমাধানগুলি বিশ্বব্যাপী রপ্তানি হবে, যা চীনের প্রযুক্তিগত প্রভাব বাড়াবে।এই নীতি হাইডিয়ানকে শুধু একটি প্রযুক্তিগত হাব হিসেবে নয়, বরং AI-এর ভবিষ্যতের একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।### চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাযেকোনো বড় নীতির বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ অনিবার্য। OPC নীতির ক্ষেত্রেও এমন কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, যেমন:* **বাস্তবায়ন:** নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, যাতে এটি কেবল কাগজে-কলমে না থেকে বাস্তবে ফলপ্রসূ হয়।* **প্রতিভা ধরে রাখা:** শুধুমাত্র প্রতিভা আকর্ষণ করাই যথেষ্ট নয়, তাদের দীর্ঘমেয়াদী জন্য হাইডিয়ানে ধরে রাখাও একটি চ্যালেঞ্জ।* **নিয়ন্ত্রক কাঠামো:** দ্রুত পরিবর্তনশীল AI প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে একটি নমনীয় এবং কার্যকরী নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা।* **নৈতিক উদ্বেগ:** AI-এর নৈতিক ব্যবহার এবং ডেটা গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগগুলি সঠিকভাবে মোকাবেলা করা।তবে, এই চ্যালেঞ্জগুলি সত্ত্বেও, OPC নীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। সঠিক বাস্তবায়ন এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি হাইডিয়ানকে বিশ্বব্যাপী AI উদ্ভাবনের একটি অপ্রতিরোধ্য কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে।### মূল শিক্ষণীয় বিষয় (Key Takeaways)* **প্রতিভাধরদের ক্ষমতায়ন:** হাইডিয়ান-এর OPC নীতি উচ্চ প্রতিভাধর ব্যক্তি (সুপার ইন্ডিভিজুয়ালস)-দের জন্য ব্যাপক সমর্থন ও সংস্থান নিশ্চিত করে।* **প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব:** বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা কেন্দ্র এবং সরকারী সংস্থাগুলি উদ্ভাবনের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করে।* **AI ভবিষ্যৎ গঠন:** নীতিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর গবেষণায় নেতৃত্ব দিতে এবং নতুন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হাইডিয়ানকে সাহায্য করবে।* **ইকোসিস্টেমের শক্তি:** একাডেমিয়া, শিল্প, সরকার এবং স্টার্টআপগুলির মধ্যে সহযোগিতা একটি গতিশীল ও উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম তৈরি করবে।* **হাইডিয়ান-এর নেতৃত্ব:** এই নীতি হাইডিয়ানকে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং AI উন্নয়নে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে সাহায্য করবে।### উপসংহারহাইডিয়ান-এর OPC নীতি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি সাহসী এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ। প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে প্রতিভাধর ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন এবং একটি শক্তিশালী AI ইকোসিস্টেম তৈরি করার এই উদ্যোগ কেবল হাইডিয়ানের স্থানীয় অর্থনীতির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং এটি বৈশ্বিক AI ল্যান্ডস্কেপেও গভীর প্রভাব ফেলবে। এই নীতি দেখিয়ে দেয় যে, যখন সরকার, শিক্ষা এবং শিল্প একসাথে কাজ করে, তখন উদ্ভাবনের সীমাহীন সম্ভাবনা উন্মুক্ত হয়। হাইডিয়ান যেভাবে AI-এর ভবিষ্যৎ গঠনে এগিয়ে আসছে, তা বিশ্বের অন্যান্য প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলির জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। এটি একটি নতুন যুগের সূচনা, যেখানে মানব প্রতিভা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন এক উন্নত ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Addressing AI's Governance and Accountability Challenges: Insights from Palo Alto Networks CEO - Devdiscourse

Alibaba Unveils Wukong AI Agent for Enterprise Slack Battle - The Tech Buzz

ITC Infotech Expands Global Innovation Ecosystem With New Digital & AI Experience Centers and AI Studio - Tribune India